জাতীয় লিগকে পাখির চোখ নির্বাচকদের, নজর থাকবে নির্দিষ্ট কয়েকজনে!

সোহাগ গাজী নাইম ইসলাম নাসির হোসেন

অক্টোবরের ৭ তারিখ আসন্ন জাতীয় লিগ শুরু সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ হয়েছে। কাল-পরশুই আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, মিরপুরে বেড়েছে ঘরোয়া লিগের ক্রিকেটারদের ব্যস্ততা। জাতীয় লিগকে সব সময়ই পাখির চোখ করেন নির্বাচকরা, নভেম্বরে ভারত সফর বলে এবারের জাতীয় লিগ পাচ্ছে বাড়তি গুরুত্বও। এদিকে বেশ কয়েক মৌসুম পর জাতীয় লিগে পাওয়া যাচ্ছে বেশিরভাগ জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের, বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলছেন নির্বাচকদের ভাবনায় বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে জাতীয় লিগ।

সোহাগ গাজী নাইম ইসলাম নাসির হোসেন
ছবিঃ বিসিবি

ফিটনেস নিয়ে এবার বেশ সচেতন বিসিবি। ইতোমধ্যে জাতীয় লিগ খেলতে হলে বিপ টেস্টে পেতে হবে অন্তত ১১। বাংলাদেশের ঘরোয়া লিগের ক্রিকেটারদের ম্যাচ খেলার মত ফিটনেস থাকলেও বেশিরভাগেরই রয়েছে বিপ টেস্ট আতঙ্ক। এ নিয়ে গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার জানিয়েছেনও বিপ টেস্টের মানদন্ড নিয়ে তাদের আপত্তি নেই, আপত্তিটা অপর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধার। মোহাম্মদ আশরাফুল থেকে আরাফাত সানি, মোহাম্মদ শরীফ সবারই মন্তব্য বিপ টেস্টই সব নয়, ম্যাচ ফিটনেসও দেখতে হবে। বিসিবির প্রধান চিকিৎসক আজ (২৯ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছেন নির্বাচকরা জাতীয় লিগে পরখ করবেন ম্যাচ ফিটনেসও৷

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমাদের নির্বাচকরা চাইবে কয়েকজন খেলোয়াড়কে পরবর্তী জাতীয় লিগে পরখ করে দেখতে। কারণ কয়েকজন খেলোয়াড় অনেকদিন ধরে খেলার বাইরে, সেক্ষেত্রে ফিটনেস লেভেলটা কিরকম কিংবা ম্যাচ ফিটনেস ঠিক আছে কিনা সেটা প্রমাণ করার ভালো একটা জায়গা হবে জাতীয় লিগ। নির্বাচকদের সাথে কথা বলে আমরা ওদের ওয়ার্ক লোডটা প্ল্যান করবো। কারণ ভারত সফরটা অবশ্যই আমাদের বিবেচনায় আছে।’

শামসুর রহমান শুভ মেহেদী মারুফ
ছবিঃ বিসিবি

আর এ কারণেই কিছু খেলোয়াড়কে বিশেষ করে পেসারদের নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে বোলিং ওভার উল্লেখ করে দেবাশীষ চৌধুরী যোগ করেন, ‘কিছু খেলোয়াড়কে আমরা দেরীতে শুরু করাবো হয়তো প্রথম ম্যাচটা খেলতে পারবেনা। আবার কিছু খেলোয়াড়কে আমরা ওভার নির্দিষ্ট করে দিবো। দল যখন গঠন হবে, প্রত্যেক বিভাগ আলাদা হয়ে কাজ শুরু করলে আমরা দলগুলোকে মেইল পাঠাবো। এটা বিসিবির দায়িত্ব, কীভাবে পেস বোলারদের ওয়ার্ক লোড ম্যানেজমেন্ট করবে সে ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়ে দেওয়া হবে। দলগুলোর ফিজিও ট্রেনারকেও আমাদের নির্দেশনা দেওয়া থাকবে।’

কোন কোন খেলোয়াড়ের উপর বিশেষ নজর থাকতে পারে? দুই একজনের নাম কি বলা সম্ভব? এমন সব প্রশ্নের উত্তরে দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন নির্বাচকদের কাছ থেকে তালিকা পাওয়ার পরই জানবেন। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটা সম্পূর্ণ নির্বাচকদের সাথে বসে ঠিক করবো। নির্বাচকরা আমাদের একটা তালিকা দিবে যে কোন খেলোয়াড়কে তারা কীভাবে চান। এই তালিকাটা আমরা যখন হাতে পাবো তখনই তাদের ব্যাপারে আলাদা আলাদা গাইডলাইন ঠিক করতে পারবো।’

নাজমুল হাসান তারেক

Read Previous

চোটাক্রান্ত তাসকিন-মিশুর খেলায় ফিরতে দেরী

Read Next

ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপের সূচি চূড়ান্ত

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Total
0
Share