কারস্টেনকেই কোচ হিসেবে পেতে চাচ্ছে ইংল্যান্ড, কারস্টেনের আছে শর্ত

featured photo1 44

ইংল্যান্ডের সদ্য সাবেক হওয়া কোচের আশ্চর্য এক দর্শনই মোটামুটি বিপাকে ফেলেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকে। ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দলকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেন ট্রেভর বেলিস। এই অস্ট্রেলিয়ান গত বিশ্বকাপের ফাইনালের আগেই ঘোষণা দেন চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেই টানবেন ইতি। সদ্য  সমাপ্ত অ্যাশেজের পর স্বেচ্ছায় চুক্তি নবায়ন করেননি, ইতোমধ্যে কোচ হিসেবে গ্যারি কারস্টেনকে নিয়োগের প্রাথমিক আলোচনাও সেরে নিয়েছে ইংলিশ বোর্ড।

674388 665790 634875 311759 kirsten

ট্রেভর বেলিস নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালের আগে দেওয়া চুক্তি নবায়ন না করার ঘোষণায় বলেন, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ ও অ্যাশেজ জিতলেও তিনি তার মত পাল্টাবেন না। কারণ হিসেবে নিজস্ব দর্শনকে এনেছেন সামনে, চাকরি ক্ষেত্রে যতই সফলতা আসুক চার-পাঁচ বছর সময়টাকে বেশ লম্বাই মনে হয়েছে তার। তিনি অনুভব করছিলেন তার জায়গা নেওয়ার জন্য অন্য কেউ হয়তো প্রস্তুত।

এমন সিদ্ধান্তের পরই ২৭ বছর পর ফাইনাল খেলা ইংল্যান্ড তার অধীনেই জিতে নেয় প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা। অ্যাশেজে আশানুরূপ ফল না হলেও বেলিসকে যে ইংল্যান্ড ছাড়তে চাচ্ছিলনা তা ছিল স্পষ্টই।বেলিস জানিয়েছে বাকি জীবনে কেবল নিজ দেশ অস্ট্রেলিয়াকেই কোচিং করানোর সুযোগ পেলে করাবেন, এটাই তার চূড়ান্ত লক্ষ্য। কোচিং ক্যারিয়ারে বেশ সফল ছিলেন, ২০১১ সালে শ্রীলঙ্কাকে খেলিয়েছেন ফাইনাল, ভারতের কাছ থেকে সেবার শিরোপা আনতে না পারলেও ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের অধরা শিরোপাটাই এনে দিলেন।

এই অস্ট্রেলিয়ান কোচের বিদায়ের পর যাকে স্থলাভিষিক্ত করার জোর চেষ্টা চালাচ্ছে ইংলিশ বোর্ড তিনি খেলোয়াড়ি জীবনের পাশাপাশি বেশ সফল কোচিং ক্যারিয়ারেও। মজার বিষয় ভারতকে ২০১১ সালে শিরোপা এনে দেওয়া ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল ট্রেভর বেলিসের অধীনে কোচিং করা শ্রীলঙ্কা। যার কাছে হেরে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন কর‍তে পারেননি শ্রীলঙ্কাকে সেই কারস্টেনই হয়তো হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ডের পরবর্তী কোচ। তবে কারস্টেন  কেবল ওয়ানডে ফরম্যাটে কোচিং করাতে রাজি হয়েছেন বলেই এখনো পাকাপাকি হয়নি কিছু। ইংলিশ বোর্ড চেষ্টা করছে তিন ফরম্যাটেই কারস্টেন দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে।

বেলিসের জায়গা নিতে যাওয়া কারস্টেনের রয়েছে সমৃদ্ধ কোচিং ক্যারিয়ার। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১০০ এর বেশি টেস্ট, ওয়ানডে খেলা এই ব্যাটসম্যান সবাইকে অবাক করে দিয়ে অল্প বিস্তর কোচিং অভিজ্ঞতা নিয়েই ২০০৭ সালে আবেদন করে বসেন ভারতের শূন্য পদে কোচ হওয়ার জন্য। ব্যাটে বলে মিলে যাওয়ায় নিয়োগ পেয়ে ভারতকে ২০১১ সালে  এনে দেন দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা। এরপর নিজ দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার কোচও ছিলেন লম্বা সময়, টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানেও তুলেছেন দলকে। নিয়মিত কোচ হিসেবে কাজ করছে আইপিএল ফ্র‍্যাঞ্চাইজিগুলোর সাথেও।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বাংলাদেশ সফর নিশ্চিত করলো অস্ট্রেলিয়া

Read Next

বিসিবি প্রধান জানালেন ফিটনেসে নজর দেবার কারণ

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Total
0
Share