ইংল্যান্ডে খেলে আসাটা কাজে দিবে, বিশ্বাস আশরাফুলের

মোহাম্মদ আশরাফুল

জাতীয় দলে অনেকটা নির্বাসিত বাংলাদেশের প্রথম পোস্টারবয় মোহাম্মদ আশরাফুল। জাতীয় দলে সুযোগ না মিললেও স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়ানোর অপরাধে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে নিয়মিত খেলছেন ঘরোয়া লিগ। জাতীয় লিগের আসন্ন আসর সামনে রেখে আজ(২৬ সেপ্টেম্বর) মিরপুরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়ক, ইংল্যান্ডের মাইনর কাউন্টিতে খেলে আসা অভিজ্ঞতা কাজে দিবে বলেও বিশ্বাস আশরাফুলের।

mohammad ashraful

মুলত আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হতে যাওয়া জাতীয় লিগে ক্রিকেটারদের ফিটনেস টেস্ট নিয়ে ক্রিকেট পাড়ায় চলছে আলোচনা। প্রধান নির্বাচক সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জাতীয় লিগ খেলতে হলে বিপ টেস্টে অন্তত স্কোর করতে হবে ১১। জাতীয় দলের বেশিরভাগ তরুণ ক্রিকেটারই যেখানে বিপ টেস্টে ৯ এর আশেপাশে স্কোর করে সেখানে ৩০-৩৫ পেরোনো ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা ক্রিকেটাররা কীভাবে ডিঙ্গাবে এই বাধা?

এমন সিদ্ধান্তের পর কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারতো এমনও মন্তব্য করেছে, এটা পুরোনোদের সরিয়ে দেওয়ার কৌশল! ৩৫ বছর বয়সী সাবেক বাংলাদেশ কাপ্তান মোহাম্মদ আশরাফুল বলছেন এটা কঠিন তবে বোর্ডের নিয়ম বলে মেনেও নিচ্ছেন। ফিটনেস নিয়ে কখনোই তাকে সমস্যায় পড়তে হয়নি উল্লেখ করে বলেন,

‘অবশ্যই বয়স যখন ৩৫ হয়ে যাবে তখনও যদি আপনি ১১ চান সেটাতো কষ্টকরই। তবে যেহেতু আমরা বেতনভুক্ত পেশাদার ক্রিকেটার আমাদের কাছে যা চাওয়া হয় তাই দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।আমি গতবারও ১১.৪ দিয়েছি। জাতীয় দলে যখন থেকে শুরু করেছি কখনোই আমার ফিটনেস নিয়ে সমস্যা হয়নি, আশাকরি এবারও হবেনা।’

received 1888547624549706

বিপ টেস্ট সম্পর্কে বলতে গিয়ে মোহাম্মদ আশরাফুল উল্লেখ করেন বয়স কোন বিষয় নয়, তবে থাকতে হবে পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

‘পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে ১১ দিতে হলে আপনাকে টানা ১২ -১৩ মিনিট দৌড়াতে হবে। সেটা ধীরে হোক আর জোরে হোক, একমাস টানা অনুশীলনে এটা অসম্ভব কিছুনা। বয়স এখানে বিষয় না, আপনি ৩৫ হোন আর ২০ বছর বয়সী হোন এটা সমস্যা না। আমাদের জাতীয় দলের অনেক তরুণ পেসার আছে যারা ৮-৯ দেয় কিন্তু টানা ১৮ ওভার বলও কর‍তে পারে। আসলে বিপ ফিটনেস একধরনের জিনিস ম্যাচ ফিটনেস আরেক জিনিস।’

গত মে মাসে ইংল্যান্ডের মাইনর কাউন্টি খেলতে যান আশরাফুল, বিশ্বকাপের সময়ও ওখানেই ছিলেন। ইংলিশ কন্ডিশনে লম্বা সময় ধরে খেলা ম্যাচগুলো জাতীয় লিগে কাজে দিবে বলে বিশ্বাস আশরাফুলের,

‘হ্যাঁ আমি কেন্ট প্রিমিয়ার লিগে ব্ল্যাকনেথের হয়ে খেলেছি। ওখান আমি বেশিরভাগ একদিনের ম্যাচ খেলেছি, ওখানে হয় কি বল প্রথম ওভারে যেমন সুইং করে ৫০ তম ওভারেও একই রকম সুইং করে। ওখানে আমরা ডিউক বল দিয়ে খেলেছি, কন্ডিশনের কারণে হোক আর অন্য যেকোন কারণেই হোক ওখানে বেশ সুইং করে বল। ১৫ টা একদিনের ম্যাচ, সানডে, মানডে ম্যাচ মিলিয়ে ৩৫-৪০ টা ম্যাচ খেলেছি। আমি আশাকরি এবারের জাতীয় লিগ শুরুতে এটা আমাকে সাহায্য করবে কারণ আমাদের বেশিরভাগ খেলোয়াড় কিন্তু ওই সময়টায় বসে ছিল।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

মাঠের সাথে জীবনের লড়াইটাও চালিয়ে যাচ্ছেন রুবেল

Read Next

‘টুক টুক’ ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন, জবাবে ছক্কা হাঁকিয়ে দিলেন মিসবাহ

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Total
0
Share