২০১১ এর আদলেই ২০১৯ বিশ্বকাপেও থাকছে সুপার ওভার

নিউজিল্যান্ড
Vinkmag ad

বিশ্বকাপের একদম দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি জানিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ফলাফল নির্ধারণসহ বেশ কিছু নিয়ম। যার মধ্যে নক আউট পর্বে ম্যাচ টাই হলে থাকছে সুপার ওভার, বৃষ্টি কিংবা অনিবার্য কারণে খেলা বন্ধ হয়ে গেলেও থাকছে রিজার্ভ ডে’র ব্যবস্থা।

images 2019 05 27T020310.146

২০০৭ সালে প্রথম সুপার ওভারের সাক্ষী হয় দর্শক। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দুই দলের রান সমান হয়ে গেলে প্রথম উদ্ভব হয় সুপার ওভার নিয়মের। ২০১১ বিশ্বকাপের নক আউট পর্ব দিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটেও ঢুকে পড়ে এই সুপার ওভার নিয়ম। পরবর্তীতে ২০১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালেও ম্যাচ টাই হওয়া সাপেক্ষে রাখা হয় সুপার ওভার নিয়ম। তবে দুই দলের রান ওসব ম্যাচে সমান না হওয়ার কারণে প্রয়োজন পড়েনি সুপার ওভারের।

গতবার শুধু ফাইনালের জন্যই সুপার ওভার বরাদ্দ থাকলেও এবার ২০১১ বিশ্বকাপের মত নক আউট পর্বে অর্থাৎ দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনালের জন্য থাকছে এ নিয়মটি। সুপার ওভার ছাড়া বিশ্বকাপকে জমিয়ে তুলতে আইসিসি রাখছে আরও কিছু নিয়ম কানুন।

সেমিফাইনাল ও ফাইনালের জন্য রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে’র ব্যবস্থা। বৃষ্টি কিংবা বৈরি আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত দিনে ভেস্তে যাওয়া ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে পরের দিন। তবে রিজার্ভ ডে’তে ম্যাচ আয়োজন ঝামেলা বলে ম্যাচ অফিসিয়ালদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে নির্ধারিত দিনেই কার্টেল ওভারে গিয়ে হলেও ম্যাচ শেষ করে দেওয়া। একেবারেই ব্যর্থ হলে ম্যাচ গড়াবে রিজার্ভ ডে’তে।

61241353 421626701751214 5423121695600803840 n

সেমিফাইনাল, ফাইনালে কোন ম্যাচ মাঝপথে বৃষ্টি কিংবা বৈরি আবহাওয়ার দরুণ থেমে গেলে রিজার্ভ ডে’তে ঠিক ওখান থেকেই শুরু হবে ম্যাচটি। সুপার ওভারের ক্ষেত্রেও বহাল থাকবে নিয়মটি। টাই হয়ে যাওয়া ম্যাচের সুপার ওভার কোন কারণে সম্পন্ন করা না গেলে রিজার্ভ ডে’তে অনুষ্ঠিত হবে ফলাফল নির্ধারণী সুপার ওভার।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

সব সময় মনে করি এটা আমার শেষ ম্যাচঃ সাব্বির

Read Next

‘বিশ্বের কাছে প্রমাণের সময় এসেছে সাকিবের’

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
0
Share