লিগ সেরা বোলার হওয়ার প্রত্যয় আবু হায়দার রনির

featured photo1 1 10
Vinkmag ad
abu haider rony
ছবিঃ সংগ্রহীত

বয়স ভিত্তিক ক্রিকেট থেকেই আলো ছড়িয়েছেন আবু হায়দার রনি। কিন্তু সেভাবে পাদপ্রদীপের আলোয় না আসলেও ২০১৫ সালের বিপিএলে দুর্দান্ত পারফরমেন্স আলোটা তার দিকে নিতে বাধ্য করেছিল। ওই বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের এই ক্রিকেটার নিয়েছিলেন বাংলাদেশীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী উইকেট।

রংপুর রাইডার্স এর সিমন্সকে দুর্দান্ত ইয়র্কারে ভূপাতিত করার দৃশ্য অনেকেরই মনে আছে। বিপিএলের অমন নৈপুণ্য জাতীয় দলে নিজের নাম লেখাতে সাহায্য করেছিল রনিকে। বিপিএলের পরের সিরিজেই জিম্বাবুয়ের সাথে অভিষেক, এরপরে এশিয়া কাপ্সহ খেলেছেন ৫টি টি-টোয়েন্টিতে। কিন্তু ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি। ৫ ম্যাচে সংগ্রহ মোটে তিন উইকেট। এরপরই ছিটকে যান দল থেকে।

কিন্তু হতাশ হননি, মনে জোর রেখেই চেষ্টা করেছেন নিজের সেরাটা বের করে আনার। ঢাকা লীগ, জাতীয় লীগ, বাংলাদেশ ক্রিকেটলীগে করেছেন মোটামুটি পারফর্ম। করতে পারেননি আহামরি কিছু, মাঝে বিপিএল টাও ভালো যায়নি। আর এটাই যেন তাকে করেছে জেদি। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের শেষ কটি ম্যাচই তার প্রমান। ডিপিএলে খেলছেন তারকাখচিত দল গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের হয়ে।

তার সতীর্থ হিসেবে ছিলেন আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়া নাসির হোসাইন, শফিউল সহ মুমিনুল, আনামুল হক বিজয়, জহরুল ইসলামরা। এখন অবধি ৩য় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি, পেসারদের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি। ১ম লেগের ৮ ম্যাচেই তার উইকেট ১৮ টি।

অথচ ডিপিএলের উইকেটে পেসারদের জন্য কিছুই থাকেনা, তার উপর চলছে গরমের তাপদাহ। এমন ফ্ল্যাট উইকেট আর গরমেও নিজের সেরাটাই দিচ্ছেন রনি। আর এই প্রতিকুলতাকেই নিয়েছেন চ্যালেঞ্জ হিসেবে, ‘আসলে আবাহাওয়া, উইকেট সব মিলিয়ে কিন্তু আমাদের পেস বোলারদের প্রতিকূলে। গরম বেশি, তাছাড়া উইকেটও ফ্লাট থাকে যা ব্যাটসম্যানদের সহায়ক। আপনারা দেখেন যে প্রায় প্রতিম্যাচেই ৩ শ’র কাছাকাছি বা তারও উপরে রান হচ্ছে। এর মধ্যে পেস বোলিং কিন্তু দারুণ কঠিন। তাপরেও এই কঠিন কাজটিকেই আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছি।’

স্বপ্ন দেখেন এবারের লীগ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হওয়ার, ‘আর কয়েকটি ম্যাচ বাকি আছে। যেভাবে উইকেট পেয়েছি, এভাবে চালিয়ে যেতে পারলে লিগ সেরা হতে পারবো বলে আশা করছি।’

জাতীয় দলে ফেরার মোক্ষম মঞ্চ এসব ঘরোয়ালীগের মধ্যে ঢাকা লীগ যে অন্যতম সেটাও জানালেন বামহাতি এই পেস সেনসেশন, ‘আপনি যদি আমাদের ঘরোয়া লিগ দেখেন সবগুলোর মধ্যে প্রিমিয়ার লিগই কিন্তু সবাই দেখে ও সবার নজরে থাকে। তাই এখানে যারা পারফর্ম করে তারাই ফোকাসে থাকে। আমার কাজ পারফর্ম করা। বাকিটা নির্বাচকদের কাজ।’

‘সবারই লক্ষ্য জাতীয় দলে খেলার। একবার খেলে বেরিয়ে গিয়েছি। এখন আবার লক্ষ্য থাকবে ফেরার। সেই লক্ষ্যে ওভাবেই কঠোর পরিশ্রম করছি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

চ্যাম্পিয়ন হলে কত পাবে চ্যাম্পিয়ন দল !

Read Next

এবার নিষেধাজ্ঞা স্কুল ক্রিকেটে

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
0
Share