জয়ের সকল ক্রেডিট মুস্তাফিজদের দিলেন তামিম

featured photo1 88

বাংলাদেশের তিন জয়ে তামিমের তিন অর্ধশত,  কিন্তু প্রতিবারই সাকিবের অলরাউন্ডার পারফরমেন্সের আলোয় ম্রিয়মাণ হয়ে যাচ্ছিল তামিমের পারফরমেন্স। অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, রকেট ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথমবারের মতো তামিম ইকবাল হয়েছেন ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ। তাইতো ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে দিয়ে গেলেন অনেক প্রশ্নের জবাব।

tt

১৭০ রানে নেই ৬ উইকেট, এ সময়  দলীয় সংগ্রহ দুইশো রান হবে কী না তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল সংশয়। শেষ দুই জুটিতে ৪৬ রান তুলে এ যাত্রায় লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানরা বিপদ মুক্ত করেন বাংলাদেশকে। মূলত সানজামুল-মুস্তাফিজের ২৬ রানের জুটি এবং মোস্তাফিজ-রুবেলের ২০ রানের জুটিতে ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ। তাইতো তামিম এ জয়ের ক্রেডিট দিয়ে গেলেন লোয়ার অর্ডারকে।

তামিম বলেন, লোয়ার অর্ডারদের ব্যাটিংকে ক্রেডিট দিতে হবে। আবারও টিম ম্যানেজমেন্টের কথা বলতে হয়। কারণ গত এক দেড় মাসে ওদের যে পরিমাণে ব্যাটিং করার সুযোগ কেরে দিয়েছে সেটাই আজকের ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।’

এসময় তামিমের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ২১৬ রান করার পর এতো স্বল্প পুঁজি নিয়ে জয়ের  ব্যাপারে তাদের ভেতরে কোনো সংশয়ে তৈরি হয়েছিল কি না?

তামিম  জানালেন, ‘আমরা একটি জিনিস বুঝতে পেরেছিলাম যে ২শ রানের উপরে হলেই এই উইকেটে কঠিন হয়ে যাবে। কেননা এই উইকেটে ব্যাটিং করা সহজ ছিল না, বিশেষ করে স্পিনারদের বিপক্ষে। সিমাররাও মুভমেন্ট পাচ্ছিলেন। বুঝেছিলাম যে ২শ’র উপরে করলে একটা সুযোগ থাকবে এবং দ্রুত উইকেট পড়ে যাওয়াটা শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। সৌভাগ্যবশত আমরা ওদের ৩-৪টা উইকেট দ্রুতই ফেলে দিয়েছি। যা ওদের কাজটি কঠিন করে দিয়েছে’।

এদিন ম্যাচ উইনিং পারফরমেন্সের সাথে আরো দুটি রেকর্ড স্পর্শ করেছেন তামিম। একটি হলো প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ওয়ানডেতে ৬ হাজার রান। অন্যটি একমাঠে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। যা এতদিন লঙ্কানদের সাবেক ব্যাটসম্যান জয়সুরিয়ার দখলে ছিল। কলম্বোর প্রেমাদাসায় ৭১ ম্যাচে জয়সুরিয়ার ছিল ২৫১৪ রান। এ দিন তামিম ঢাকাত মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ছাড়িয়ে গেলেন এই শ্রীলঙ্কার লিজেন্ডকে।

৭৪ ম্যাচে তামিম করেছেন ২৫৪৯ রান। এই রেকর্ডের দিনে তার অনুভূতি জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান,   

‘অবশ্যই ভালো লাগে। খেলার আগেই আমি জানতাম ওই রেকর্ড করার জন্য আমার কত রান দরকার। ভালো লাগে একটি মাঠে আপনি সর্বোচ্চ রান করেছেন। আরেকটি মাইলস্টোন ৬ হাজার রানের। শেষ সংবাদ সম্মেলনেও বলেছি এই অর্জনকে আমি উদযাপন করবো। যে কোনো অর্জনই উদযাপন করা উচিত। আর একটা ভেন্যুতে এতগুলো রান করা বিশেষ কিছু।’

তামিম বাংলাদেশর সেরা ওপেনার, বলায় যায় বর্তমান সময়ে বিশ্বের সেরাদের একজন। সামনের দিনগুলো তামিমকে আরো অনবদ্য সব রেকর্ডে ভরিয়ে দিবে এটা নিশ্চিত করে বলা যায়। তাইতো সংবাদ সম্মেলন থেকে যাবার বেলা বাংলাদেশকে নিয়ে তার স্বপ্নের কথা জানিয়ে গেলেন।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

রাশেদ-বিদ্যুতে সেমিফাইনালে পপুলার ওয়ান্ডার্স

Read Next

মুস্তাফিজের সামনে অ্যামব্রোসকে ধরার সুযোগ

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
0
Share