শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ইতিবৃত্ত

nn 1

বাংলাদেশের হোম অফ ক্রিকেট বলা হয়ে থাকে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে। বাংলাদেশে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিকাংশ আন্তর্জাতিক ম্যাচ এই স্টেডিয়ামেই হয়ে থাকে। ১১ বছরের ব্যবধানে এই স্টেডিয়ামে আজ মাঠে গড়িয়েছে শততম ওয়ানডে। 

শারজাহ, সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, হারারে স্পোর্টস ক্লাব ও আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের পর ৬ষ্ঠ ভেন্যু হিসেবে ১০০ ওয়ানডের আয়োজক হলো মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

Milstone for Sher-E-Bangla National Cricket Stadium, Mirpur, Dhaka. #sbncs

A post shared by cricket97 (@cricket97bd) on

 

২০০৬ সালে মিরপুরের এই স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডে মাঠে গড়ায়। তবে প্রথমে এই স্টেডিয়ামকে ফুটবলের জন্য তৈরী করা হয়েছিল। পুরোদস্তর ক্রিকেট স্টেডিয়াম হয়ে যাবার পর বাংলাদেশের অনেক অর্জনের স্বাক্ষী এই স্টেডিয়াম। এই মাঠেই নিউজিল্যান্ডকে ৪-০ তে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হয়েছিল। এই মাঠে তিনটি এশিয়া কাপের ফাইনাল হয়েছে।

শচীন টেন্ডুলকার তার শততম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন এই মাঠেই।

মিরপুরের এই মাঠে সর্বোচ্চ ৮৪ টি ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ। তার মধ্যে জিতেছে ৩৯ ম্যাচে, পরাজয় এসেছে ৪৪ টি ম্যাচে। ১ ম্যাচে আসেনি কোন ফল।

আজকের শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুয়ে ম্যাচ দিয়ে শততম ওয়ানডে মাঠে গড়িয়েছে মিরপুরে। ১ম ম্যাচ ও ১০০ তম ম্যাচ দুই মাইলফলকের ম্যাচেই খেলেছেন ব্রেন্ডন টেলর ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।

একনজরে শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম (৯৯ তম ম্যাচ পর্যন্ত): 

প্রথম ম্যাচ: বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে, ২০০৬ সালের ৮ ডিসেম্বর

সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ: ৩৭০/৪, বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারত, ২০১১ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি

সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ: ৫৮/১০, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ, ২০১১ সালের ৪ মার্চ

যেকোন উইকেটে সর্বোচ্চ জুটি: ২২৪, ভারতের বিপক্ষে মোহাম্মদ হাফিজ ও নাসির জামশেদ, ২০১২ সালের ১৮ মার্চ

সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়: দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশকে হারিয়েছিল ২০৬ রানে, ২০১১ সালের ১৯ মার্চ

সবচেয়ে ছোট ব্যবধানে জয়: পাকিস্তান বাংলাদেশকে হারিয়েছিল ২ রানে, ২০১২ সালের ২২ মার্চ

সবচেয়ে বেশি রান: তামিম ইকবাল (৭২ ম্যাচে ২৩৮৯ রান)

সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস: ১৮৫* (বাংলাদেশের বিপক্ষে শেন ওয়াটসন, ২০১১ সালের ১১ এপ্রিল)

সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি: তামিম ইকবাল (৫)

সবচেয়ে বেশি ফিফটি: সাকিব আল হাসান (১৮)

সবচেয়ে বেশি ছয়: মুশফিকুর রহিম (৩১)।

সবচেয়ে বেশি চার: তামিম ইকবাল (২৮০)

সবচেয়ে বেশি ডাক: তামিম ইকবাল (৮)

সবচেয়ে বেশি উইকেট: সাকিব আল হাসান (৭৪ ম্যাচে ১০৬ উইকেট)

সেরা বোলিং ফিগার: স্টুয়ার্ট বিনি (বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬/৪, ২০১৪ সালের ১৭ জুন)

এক ইনিংসে সবচেয়ে খরুচে বোলিং: ওয়াহাব রিয়াজ (ভারতের বিপক্ষে ২/৮৬, ২০০৮ সালের ১০ জুন)

সর্বোচ্চ ডিসমিসাল: মুশফিকুর রহিম (৭৯ ম্যাচে ৮১ ডিসমিসাল)

সর্বোচ্চ ক্যাচ: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৬৭ ম্যাচে ২২ ক্যাচ)

সর্বোচ্চ ম্যাচ: মুশফিকুর রহিম (৭৯)

Shihab Ahsan Khan

Shihab Ahsan Khan, Editorial Writer of Cricket97 & en.Cricket97

Read Previous

চমক রেখে নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

Read Next

৫০০ উইকেট শিকারী প্রথম বাংলাদেশি রাজ্জাক

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
0
Share