সূচি এগিয়ে প্রিমিয়ার লিগে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজ’

league
Vinkmag ad

দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম বড় একটি আসর ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ। কিন্তু গত কয়েক মৌসুম ধরে এই প্রতিযোগিতা নিয়ে খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তারা আবহাওয়ার কারণে পড়ছেন নানাবিধ সমস্যায়। প্রচণ্ড গরমে খেলোয়াড়রা হাপিত্যেশ করেন আবার টানা বৃষ্টিতে পণ্ড হয় মাঠের খেলা। তাই ক্রিকেট কমিটি অফ ঢাকা মেট্রো পলিটন (সিসিডিএম) এই সমস্যার সমাধান হিসেবে লিগ শুরু করতে চাচ্ছে শীতকাল শেষ হওয়ার আগেই। আর এবার দলবদলে ফিরে আসছে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজ’ পদ্ধতি। 

IMG 0298

মঙ্গলবার হোম অফ ক্রিকেট, মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাৎকারে সিসিডিএম চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ বলেন, ‘গত কয়েকবছর ধরে বৃষ্টি এবং রোজার মধ্যে লিগ চলায় অনেক ক্লাবই এই বিষয়ে আমাদের জানিয়েছে। আমরা জানুয়ারির ২ বা ৩ তারিখের মধ্যে ক্লাব কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনায় বসবো। প্রিমিয়ার লিগ আবার জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতেই ফিরিয়ে আনতে চাই।’

তিনি আরও জানান, ‘২০ তারিখের মধ্যে লিগ শুরুর চেষ্টা থাকবে। এর ৮-১০ দিন আগে প্লেয়ার্স বাই চয়েজ ড্রাফট হবে। এখন ক্লাব গুলোকে টিকে থাকতে অনেক লড়াই করতে হয়। তাদের স্বার্থেই এই প্লেয়ার্স বাই চয়েজ ড্রাফট। পাশাপাশি আমাদের জাতীয় দলের অনেক ক্রিকেটার খেলতে পারবে না। লিগ হবে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি-মার্চে। প্রতিটি ক্লাব চারজন করে ক্রিকেটার রেখে দিতে পারবে।’

‘ঢাকা লিগ অনেক ক্রিকেটারের আয়ের প্রধান উৎস হওয়ায় আমরা সেদিকেও ঠিক রাখার চেষ্টা করবো। ইতোমধ্যেই আমরা জাতীয় নির্বাচকদের অনুরোধ করেছি গ্রেডিং অনুযায়ী খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে। গত মৌসুমের হিসেব মাথায় রেখেই এবার গ্রেডিং করা হবে।’

জাতীয় দলের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলংকা সিরিজ থাকায় লিগের দল গুলোকে তাদের ছাড়াই খেলতে হবে। তবে প্লেয়ার বাই চয়েজ ড্রাফট ছাড়াও আগের মৌসুমের খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে দল গুলো।

আম্পায়ারিং এবং মিডিয়া কভারেজ নিয়েও কথা বলেন কাজী ইনাম। আম্পায়ারদের মান নিয়ে বিসিবির এই কর্মকর্তার কণ্ঠে ইতিবাচক সুর। ‘ভালো আম্পায়ারিংকে গুরুত্ব দেয়া হবে। আম্পায়ার কমিটির নতুন চেয়ারম্যানের সাথে আমাদের এ ব্যাপারে কথা হয়েছে। আম্পায়ারিংয়ের মান যেন ভালো থাকে, একটা নির্দিষ্ট মান যাতে থাকে। এই ক্ষেত্রে অবশ্যই ভালো কিছু দেয়ার চেষ্টা থাকবে।’

মিডিয়া কভারেজের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘দর্শকরাই মাঠের প্রাণ। কিন্তু দর্শকের কাছে খেলা পৌঁছানোর জন্যে অন্তত সুপার লিগের খেলা গুলো টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করার চেষ্টা থাকবে। সরাসরি সম্প্রচার করতে না পারলেও মাঠে ফিক্সড ক্যামেরা ব্যবহার করা হলে নির্বাচকদের জন্য সুবিধা হয়। এছাড়া লিগ জনপ্রিয় হলে শুধু লিগের নয়, ক্লাবগুলোও লাভবান হবে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

দেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট

Read Next

কিউই ঝড়ে নীল উইন্ডিজ

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
0
Share