৯৫ তে তামিমের স্বপ্নভঙ্গ

তামিম

মিচেল স্টার্কের করা শর্ট বল টা তামিম মনে রাখবেন অনেক দিন। লেগ স্টাম্পে করা বলটা যে ঘাতক হয়ে দাঁড়াবে সেটা হয়তো তামিম বুঝতেই পারেননি।

এ নিয়ে তামিম তিনবার আউট হয়েছেন নব্বইয়ের ঘরে। তাও আবার এই ৯৫ রানেই। তামিম কি এতই নার্ভাস ছিলেন! সেটা জানতে অপেক্ষা করতে হতে পারে হয়তো ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলন পর্যন্ত।

২০১০ সালে চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৮৯ রান তাড়া করতে গিয়ে এরপর, নেলসনে ২০১৫ বিশ্বকাপে ৩১৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে গিয়ে। যদিও সেদিন তামিমের করা ৯৫ রানে ৩১৯ রানের টার্গেটও পরিণত হয়েছিল মামুলি লক্ষ্যতে। বাকিটা আজকে। তবে আজকের ৯৫ রান কতটা সৌভাগ্য বয়ে আনতে পারে সেটা সময়ই বলে দিবে।

শেষ ছয় ইনিংসে তামিম ইকবাল করেছেন ৬৪, ২৩, ৪৭, ৬৫, ১২৮ এবং ৯৫ রান। বলাই যায়, যোগ্য সঙ্গীর অভাবে দলকে দিতে পারছেননা ভালো কিছু। আজকের ইনিংসের কথা বললে, তামিম শুরু থেকেই খেলেছেন দেখে শুনে। তবে দেখে শুনে খেলতে পারেননি বাকি ব্যাটসম্যানরা। প্রথম ৫১ বল খেলে তামিম রান করেন মাত্র ২৮। অর্ধশতক হাকাতে খেলেন ৬৯ বল। শেষ পর্যন্ত আক্ষেপ নিয়ে ফিরে যান ১১৪ বল খেলে ৯৫ রান করে।

একদিনের ক্রিকেটে দেশের হয়ে শুধু তামিম নয়। ৯৫ সংখ্যাটা অপয়া হিসেবে জড়িয়ে গেছে বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদের সাথে। তামিমের ৩ বারের সাথে আরও দুই টাইগার ব্যাটসম্যান আউট হয়েছিলেন এই ৯৫ রানের মাথায়। নার্ভাস নাইন্টি তো আরও ভয়ানক ভাবে জড়িয়ে। এখন পর্যন্ত ১৪ বার এই নব্বইয়ের ঘরে আউট হয়েছে বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানরা।

97 Desk

Read Previous

স্টার্ক তোপে দু’শোর নিচেই গুটালো টাইগাররা

Read Next

ডিপিএলের সেরা গাজী গ্রুপ

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।