মুশফিক-নাইমের জোড়া শতকে রূপগঞ্জের জয়

ভুল করেননি দলনায়ক মুশফিকুর রহিম। টস জিতেই ব্যাট করার সিদ্ধান্তটা যে একদম জুতসই ছিলো নিজে আর নাইম ইসলাম শতক হাঁকিয়ে দলকে জয় এনে দিয়ে প্রমাণ করেছেন শতভাগ। শেখ জামালের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে রূপগঞ্জ জয় পেয়েছে ৬৮ রানে।

তবে বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠটাতে রূপগঞ্জের শুরুটা ছিল ভয়াবহ। মাত্র ১৩ রান যোগ করতেই ফিরে যান দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। ম্যাচের মোড়টা ঘোরে ঠিক তখনই। বিকেএসপির মাঠ আলো করে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এবং নাইম ইসলাম গড়েন ২২৫ রানের জুটি।

শতকের শুরুটা হয় মুশফিককে দিয়েই। শেখ জামালের বিপক্ষে ১১৫ বলে নিজের ৮ম লিস্ট ‘এ’ শতক তুলে নেন মুশফিক। সাজঘরে ফেরার আগে গুনে গুনে ১৩৪ রান করেছেন ঠিক ১৩৪ বলে। চারের মার ছিল ১৪টি আর ছয় হাঁকিয়েছেন একটি।

কম যাননি নাইম ইসলামও। মুশফিকের চেয়ে দু’বল কম খেলে স্পর্শ করেছেন নিজের ৬ষ্ঠ লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট সেঞ্চুরি। শতকের ঠিক পাঁচ বল পরেই ৭ চার আর ১ ছয়ে ১১৮ বলে ১০৩ রান করে ফিরে যান নাইম ইসলাম। মাশরাফি বিন মর্তুজার ১১ বলে ঝড়ো ১৭ আর জালাজ সাক্সেনার ১৫ বলে ২৩ রানের ক্যামিওতে শেখ জামালকে ৩০৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দেয় লিজেন্ডস অফ রূপগঞ্জ।

জবাব দিতে নেমে শেখ জামালের শুরুটা ভাল হলেও জিয়াউর রহমান ছাড়া আর কোন ব্যাটসম্যানই পেরোতে পারেনি চল্লিশের ঘর। সর্বোচ্চ ৪২ রান আসে জিয়াউরের ব্যাট থেকে। প্রায় চার ওভার বাকী থাকতেই শেখ জামাল গুটিয়ে যায় ২৩৭ রানে। মোহাম্মদ শরীফ, নাইম ইসলাম, আসিফ হাসান আর মোশাররফ রুবেল নেন দুইটি করে উইকেট।

অনবদ্য শতকের সুবাদে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন রূপগঞ্জ কাপ্তান মুশফিকুর রহিম। রূপগঞ্জের হয়ে গত ম্যাচেও ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরষ্কার গেছে সাদা পোশাকে জাতীয় দলের অধিনায়ক মুশফিকের ঘরেই।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

লিজেন্ডস অফ রূপগঞ্জঃ ৩০৫/৫ (৫০ ওভার) মুশফিকুর রহিম ১৩৪, নাইম ইসলাম ১০৩। শাহাদাৎ হোসাইন ২/৫২

শেখ জামাল ধানমন্ডিঃ ২৩৭/১০ (৫০ ওভার) জিয়াউর রহমান ৪২। শরীফ ২/৩১, নাইম ইসলাম ২/২১

 

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

আজ কি থাকছেন সাকিব-মুস্তাফিজ?

Read Next

শান্তর শতকে জয়ী আবাহনী

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।