ভারত-অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের পর বেশি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ

সাদা পোশাকে বাংলাদেশের সুযোগ ছিল কম, এতদিন এই কঠিন সত্যটাই নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছিল। অন্যান্য টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর চাইতে অনেক কম ম্যাচই পেত বাংলাদেশ। এবার কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলবে কম টেস্ট খেলা বাংলাদেশের। নতুন প্রস্তাবিত সূচীতে ভারত, অষ্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের পর সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলবে লাল সবুজের দল।

২০১৯-২৩ সালের জন্য প্রস্তাবিত নতুন এফটিপিতে বাংলাদেশ বর্তমান সূচীর চাইতে টেস্ট বেশি পাচ্ছে দুটি। প্রস্তাবিত সূচী আইসিসি বোর্ড সভায় গৃহীত হলে ২০১৯-২৩ সময়কালে বাংলাদেশ খেলবে ৩৫টি টেস্ট। যেখানে ভারত ৩৭, অষ্ট্রেলিয়া ৪০, ইংল্যান্ড ৪৬, ওয়েষ্টইন্ডিজ ২৯, নিউজিল্যান্ড ২৮, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২, শ্রীলঙ্কা ২৯, পাকিস্তান ২৮, জিম্বাবুয়ে ১৭, আয়ারল্যান্ড ১৬ ও আফগানিস্তান ১৩ টেস্ট খেলবে।

৯ দলের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও ১৩ দলের ওয়ানডে লিগকে ঘিরেই গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে আইসিসির কর্মশালায় নতুন এই সূচী প্রস্তাবিত হয়। নতুন প্রস্তাবিত ওয়ানডে সূচীতেও বাংলাদেশের ম্যাচ রয়েছে সব বড়দলগুলোর মতই।

সবচেয়ে বেশি ৬২ ওয়ানডে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের। এরপরেই ৬১টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে ভারত। শ্রীলঙ্কা ও অষ্ট্রেলিয়া খেলবে ৪৮ টি। এছাড়া বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড সমান ৪৫টি ওয়ানডে খেলার সুযোগ পাবে। ইংল্যান্ড ৪৩টি, আয়ারল্যান্ড ৪২টি, আফগানিস্তান ৪১টি, জিম্বাবুয়ে ৪০টি ও পাকিস্তান খেলবে ৩৮টি পঞ্চাশ ওভারের ম্যাচ।

টেস্ট অভিষেকের পর ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ পায়নি পূর্নাঙ্গ সিরিজ খেলার আমন্ত্রণ। গত ১৭ বছরে একটি মাত্র টেস্ট খেলার সুযোগ হয়েছিল তাও সিরিজটিই ছিলো ওই এক টেস্টের। নতুন প্রস্তাবিত সূচী গৃহীত হলে এবার ভারতের মাটিতে পূর্নাঙ্গ সিরিজ খেলার সুযোগ হবে টাইগারদের। নতুন সূচীতে ২০১৯-২০ সালে ভারতে টেস্ট ও ওয়ানডের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ রয়েছে বাংলাদেশের।

নতুন প্রস্তাবিত সূচীতে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি খেলবে ভারত (৬১টি), এরপরই ওয়েষ্টইন্ডিজ (৫৬টি)। এই সময়য়ে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি খেলবে ৪২টি। একই সংখ্যক টি-টোয়েন্টি খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা। এছাড়া নিউজিল্যান্ড ৪৯, আয়ারল্যান্ড ৪৪, ইংল্যান্ড ৪১, পাকিস্তান ও অষ্ট্রেলিয়া ৩৮, আফগানিস্তান ৩৪ ও জিম্বাবুয়ে খেলবে ৩১ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

আইসিসির কর্মশালায় প্রস্তাবিত এই সূচী আগামী ফেব্রুয়ারিতে আইসিসির নির্বাহী সভায় পাঠানো হবে, ওখানে গৃহীত হলেই জুনে আইসিসির বোর্ড সভায় পাঠানো হবে আর ওখানে অনুমোদন পেলেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হবে সূচী।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

ব্যাট হাতে গেইল আর বোলিংয়ে শীর্ষে সাকিব

Read Next

বিবাহবার্ষিকীতে রোহিতের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।